ট্রাফিক আইন ও ড্রাইভিং নিয়ম Part1

 

১. প্রশ্ন: মটরযান কাকে বলে?

উত্তর: মটরযান হলো যান্ত্রিক শক্তি দ্বারা চালিত এমন যানবাহন যা সড়ক, মহাসড়ক বা জনসাধারণের পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

২. প্রশ্ন: মটরযান চালনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কী কী?

উত্তর:

  • ড্রাইভিং লাইসেন্স
  • রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট
  • ট্যাক্স টোকেন
  • ফিটনেস সার্টিফিকেট
  • রুট পারমিট (যদি প্রয়োজন হয়)।

৩. প্রশ্ন: সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ কী কী?

উত্তর:

  • অতিরিক্ত গতি
  • অননুমোদিত ওভারটেকিং
  • চালকের অসতর্কতা
  • ট্রাফিক আইন অমান্য করা।

৪. প্রশ্ন: ট্রাফিক সিগন্যাল লাল বাতির অর্থ কী?

উত্তর: লাল বাতি মানে থামতে হবে। এটি চালকদের বিপজ্জনক এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য সংকেত দেয়।

৫. প্রশ্ন: ওভারটেক করার নিয়ম কী?

উত্তর:

  • সিগন্যাল দিয়ে ওভারটেক করতে হবে।
  • ডান পাশ দিয়ে ওভারটেক করতে হবে।
  • রাস্তা ফাঁকা না থাকলে ওভারটেক করা নিষিদ্ধ।

৬. প্রশ্ন: জেব্রা ক্রসিং-এর উদ্দেশ্য কী?

উত্তর: জেব্রা ক্রসিং পথচারীদের রাস্তা পারাপারের জন্য নির্ধারিত এলাকা। চালকদের সেখানে গাড়ি থামিয়ে পথচারীদের পার হতে দিতে হয়।

৭. প্রশ্ন: ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার বয়স কত?

উত্তর:

  • অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর।
  • পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ২১ বছর।

৮. প্রশ্ন: সিটবেল্ট পরার কারণ কী?

উত্তর: সিটবেল্ট দুর্ঘটনার সময় চালক ও যাত্রীদের আঘাত থেকে সুরক্ষা দেয়। এটি আইনত বাধ্যতামূলক।

৯. প্রশ্ন: রোড মার্কিং-এর গুরুত্ব কী?

উত্তর: রোড মার্কিং চালকদের সড়কে সঠিকভাবে গাড়ি চালাতে নির্দেশনা দেয়। এটি দুর্ঘটনা এড়াতে সহায়তা করে।

১০. প্রশ্ন: ট্রাফিক সিগন্যাল হলুদ বাতির অর্থ কী?

উত্তর: হলুদ বাতি মানে সতর্ক থাকতে হবে। এটি লাল বা সবুজ সংকেতের আগমনের পূর্বাভাস দেয়।

১১. প্রশ্ন: গাড়ি চালানোর আগে কোন বিষয়গুলো পরীক্ষা করতে হবে?

উত্তর:

  • ইঞ্জিন অয়েল এবং ফুয়েলের পরিমাণ যথাযথ কিনা।
  • টায়ারের বাতাসের চাপ এবং অবস্থান ঠিক আছে কিনা।
  • ব্রেক এবং হেডলাইট ঠিকমতো কাজ করছে কিনা।

১২. প্রশ্ন: পাকা রাস্তার গতি সীমা কত?

উত্তর: পাকা রাস্তায় যাত্রীবাহী গাড়ির জন্য সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘণ্টায় ৮০ কিমি। পণ্যবাহী গাড়ির জন্য সর্বোচ্চ গতি ৬০ কিমি।

Comments

Popular posts from this blog

ট্রাফিক আইন ও ড্রাইভিং নিয়ম Part২